1. admin@dainikjanatarkhabor.com : admin :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রমজানকে ঘিরে বাজারে কড়াকড়ি নজরদারি, অসাধুদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি। ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার তালতলায় বাস–সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ ইউএমএফ বাগেরহাট জেলা কমিটি গঠন, সভাপতি সৈকত মন্ডল, সম্পাদক সাগর মল্লিক ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহন দিঘারকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটগ্রহণ শুরু বাগেরহাটের ৫৪৭ ভোটকেন্দ্রে সরঞ্জাম বিতরণ শুরু ময়মনসিংহে শাটার নামিয়ে দোকানের ভেতর হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, লুট নগদ টাকা ও মালামাল। বাগেরহাটে নিক্সন মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড, ১৩ দোকান ও একটি ক্লিনিক ক্ষতিগ্রস্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে মতবিনিময়। ময়মনসিংহে বিএনপি কর্মীদের হামলার অভিযোগ, জামায়াতের ৪ কর্মী ও এক নারী আহত।

কাক ও কোকিল

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৫৪ বার পঠিত
লেখক: কবি সিরাজুল ইসলাম:
এক কাক এক গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, ঐ গাছে থাকতো এক কোকিল। সে তার বাসায় বসে মনের আনন্দে গান করছিল। কাক হঠাৎ শুনতে পেলো কোকিলের মিষ্টি গানের গলা, কাক কোকিলের গান শুনে মুগ্ধ হয়ে গাছের ডালে এসে বসে পড়লেন। কোকিল কাককে দেখে ভয় পেয়ে গেলেন।
কোকিল তার গান থামিয়ে কাককে বললেন, কে তুমি ভাই? আমার বাসার সামনে গাছের ডালে এসে বসলে! কি চাও তুমি? কাক বললো, আমি তোমার বাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম তখনি ঠিক শুনতে পেলাম তোমর মিষ্টি গানের গলা তোমার গানে মুগ্ধ হয়ে গান শুনতে গাছের ডালে এসে বসলাম। তুমি তো খুব ভালো গান গাইতে পারো। ভয় পেওনা আমি তোমার কোন ক্ষতি করবো না, গান থামালে কেন? আর একটু গাও শুনি। কোকিল বললো আমার গানের গলা খুব ভালো না তবু যখন তুমি শুনতে চাচ্ছো তখন কি আর করার আছে, কোকিল আবার গান গাইতে লাগলেন। কাক কোকিলের গানের তালে তালে নাচতে লাগলো, কোকিল গান থামালেন কাক তার গানে খুশি হয়ে কিছু খাবার উপহার দিলেন। কোকিলও কাকাকে ধন্যবাদ জানালেন, কাক তখন বললো আমি রোজ তোমার গান শুনতে আসবো, আমাকে তাড়িয়ে দিবে না তো? কোকিল বললো তা কেন করবো। এভাবে কাক আর কোকিলের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো, কোকিল এক দিন তার বাসায় কিছু ডিম রেখে খাবারের খোজে অনেক দূরে চলে গেলেন। এদিকে কাক কিছু দিন ধরে কোথাও খাবার খুঁজে পায় না পেটের খিদের যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে গেলেন।
কোথায় খাবার পাবে ভেবে পায় না, শেষে তার বন্ধু কোকিলের কথা মনে পড়েগেলো কাক
ভবলো কোকিলের কাছ থেকে কিছু খাবার ধার করে নিয়ে আসলে তা দিয়ে কিছুদিন চলবে পরে না হয় খাবার যোগাড় করে কোকিলকে দিয়ে আসবো। কাক কোকিলের বাসায় রওয়ানা করলেন, বাসায় এসে দেখে কোকিল বাসায় নেই, আছে শুধু কিছু ডিম। আশে-পাশে অনেক খোজা-খোজির পরও কোকিলকে না পেয়ে কাক তার ক্ষুধার যন্ত্রণা সইতে না পেয়ে কাকিলের বাসায় রাখা কিছু ডিম খেয়ে ফেলল। পরে কাক ভাবতে লাগালন কোকিল যদি সায় এসে তার ডিমগুলো দেখতে না পায় চিন্তায় সে মরে যাবে। তার চেয়ে আমার কিছু মা রেখে যাই তাতে কোকিলও বুঝতে পারবে না আমিও দায়মুক্ত হবো। কোকিল কিছুক্ষণ এ তার বাসায় ছুটে এল। সেই ডিম বেশকিছুদিন তাপ দেয়ার পর ডিম থেকে বেড়িয়ে এল উফুটে বাচ্চা, কোকিল তখন খুব আদর যত্ন করে বাচ্চাগুলোকে বড় করতে লাগলেন।
দিন পর কোকিল লক্ষ্য করলেন কিছু বাচ্চা কুহু কুহু করে ডাকছে আর কিছু বাচ্চা কা করে ডাকছে। কোকিল তখনও বুঝতে পাড়ছে না যে এগুলো কাকের বাচ্চা, বাচ্চা বা যখন বড় হলো কোকিল তখন দেখতে পেলো কাকের বাচ্চাগুলো আর কোকিলের থাকতে চাচ্ছে না তারা কাকদের দলে চলে গেলো। কোকির তখনি বুঝতে পাড়লো বিশায় মাতত কার আর কোনদিন
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক জনতার খবর
Theme Customized By Shakil IT Park