1. admin@dainikjanatarkhabor.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মশিন্দা ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, বনপাড়ার জাহেদা ক্লিনিক অপারেশনের পর সার্জিক্যাল পার্টস রেখেই সেলাই আনোয়ারা বেগমের বাম পা কেটে ফেলার উপক্রম গুরুদাসপুরে একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২৫ অনুষ্ঠিত ইসলাম নিয়ে কটূক্তিকারী শিমুলের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি। স্ত্রী ও শাশুড়ী কে নির্যাতনের অভিযোগ জামাইয়ের বিরুদ্ধে। গুরুদাসপুরে পেট্রোল পাম্পে অগ্নিকাণ্ড, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি; পুড়েছে দোকান ও বসতবাড়ি। গুরুদাসপুরের বালশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও, বিষানি নদীর ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গুরুদাসপুর উপজেলা খুচরা কার্ড ধারী সার ডিলার সমিতির নির্বাচন সভাপতি আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক, আতিকুর রহমান অবশেষে ইসলাম ধর্মকে কটূক্তি করা হিন্দু যুবক গ্রেপ্তার,হিন্দু সমাজচ্যুত যুবক ইসলাম ধর্মকে অবমাননা হিন্দু ধর্মের শিমুলকে সমাজচ্যুত

কাক ও কোকিল

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৯৫ বার পঠিত
লেখক: কবি সিরাজুল ইসলাম:
এক কাক এক গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, ঐ গাছে থাকতো এক কোকিল। সে তার বাসায় বসে মনের আনন্দে গান করছিল। কাক হঠাৎ শুনতে পেলো কোকিলের মিষ্টি গানের গলা, কাক কোকিলের গান শুনে মুগ্ধ হয়ে গাছের ডালে এসে বসে পড়লেন। কোকিল কাককে দেখে ভয় পেয়ে গেলেন।
কোকিল তার গান থামিয়ে কাককে বললেন, কে তুমি ভাই? আমার বাসার সামনে গাছের ডালে এসে বসলে! কি চাও তুমি? কাক বললো, আমি তোমার বাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম তখনি ঠিক শুনতে পেলাম তোমর মিষ্টি গানের গলা তোমার গানে মুগ্ধ হয়ে গান শুনতে গাছের ডালে এসে বসলাম। তুমি তো খুব ভালো গান গাইতে পারো। ভয় পেওনা আমি তোমার কোন ক্ষতি করবো না, গান থামালে কেন? আর একটু গাও শুনি। কোকিল বললো আমার গানের গলা খুব ভালো না তবু যখন তুমি শুনতে চাচ্ছো তখন কি আর করার আছে, কোকিল আবার গান গাইতে লাগলেন। কাক কোকিলের গানের তালে তালে নাচতে লাগলো, কোকিল গান থামালেন কাক তার গানে খুশি হয়ে কিছু খাবার উপহার দিলেন। কোকিলও কাকাকে ধন্যবাদ জানালেন, কাক তখন বললো আমি রোজ তোমার গান শুনতে আসবো, আমাকে তাড়িয়ে দিবে না তো? কোকিল বললো তা কেন করবো। এভাবে কাক আর কোকিলের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো, কোকিল এক দিন তার বাসায় কিছু ডিম রেখে খাবারের খোজে অনেক দূরে চলে গেলেন। এদিকে কাক কিছু দিন ধরে কোথাও খাবার খুঁজে পায় না পেটের খিদের যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে গেলেন।
কোথায় খাবার পাবে ভেবে পায় না, শেষে তার বন্ধু কোকিলের কথা মনে পড়েগেলো কাক
ভবলো কোকিলের কাছ থেকে কিছু খাবার ধার করে নিয়ে আসলে তা দিয়ে কিছুদিন চলবে পরে না হয় খাবার যোগাড় করে কোকিলকে দিয়ে আসবো। কাক কোকিলের বাসায় রওয়ানা করলেন, বাসায় এসে দেখে কোকিল বাসায় নেই, আছে শুধু কিছু ডিম। আশে-পাশে অনেক খোজা-খোজির পরও কোকিলকে না পেয়ে কাক তার ক্ষুধার যন্ত্রণা সইতে না পেয়ে কাকিলের বাসায় রাখা কিছু ডিম খেয়ে ফেলল। পরে কাক ভাবতে লাগালন কোকিল যদি সায় এসে তার ডিমগুলো দেখতে না পায় চিন্তায় সে মরে যাবে। তার চেয়ে আমার কিছু মা রেখে যাই তাতে কোকিলও বুঝতে পারবে না আমিও দায়মুক্ত হবো। কোকিল কিছুক্ষণ এ তার বাসায় ছুটে এল। সেই ডিম বেশকিছুদিন তাপ দেয়ার পর ডিম থেকে বেড়িয়ে এল উফুটে বাচ্চা, কোকিল তখন খুব আদর যত্ন করে বাচ্চাগুলোকে বড় করতে লাগলেন।
দিন পর কোকিল লক্ষ্য করলেন কিছু বাচ্চা কুহু কুহু করে ডাকছে আর কিছু বাচ্চা কা করে ডাকছে। কোকিল তখনও বুঝতে পাড়ছে না যে এগুলো কাকের বাচ্চা, বাচ্চা বা যখন বড় হলো কোকিল তখন দেখতে পেলো কাকের বাচ্চাগুলো আর কোকিলের থাকতে চাচ্ছে না তারা কাকদের দলে চলে গেলো। কোকির তখনি বুঝতে পাড়লো বিশায় মাতত কার আর কোনদিন
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক জনতার খবর
Theme Customized By Shakil IT Park