1. admin@dainikjanatarkhabor.com : admin :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সবুজায়নের লক্ষ্যে ফুলবাড়ীতে ফলজ গাছের চারা বিতরণ খুবজীপুর ইউনিয়ন পরিষদে ৪১৪ জন মানুষের মাঝে ভিডব্লিউবি চাউল বিতরণ, গুরুদাসপুরে শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত। কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন ফুলবাড়ীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যুবদের প্রতিনিধিত্ব ও নারী-শিশুবান্ধব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে অ্যাডভোকেসি সভা গুরুদাসপুরে প্রতিবন্ধীর সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ ফুলবাড়ীতে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা হ্রাস ও সাইবার নিরাপত্তায় অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত। গুরুদাসপুর পৌর সভার জি আর চাউল বিতরণের শুভ উদ্বোধন করেন মোঃ মাহামুদুজ্জামান সোহাগ চাটমোহরে মানবিক চিকিৎসক হাকিম আরমান, নাটোরের গুরুদাসপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালিত,,

ভারতীয় পণ্য ও হুন্ডি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী-সাংবাদিক ‘ম্যানেজের’ দাবি

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৬০ বার পঠিত

আজিজুল হক নিউটন :

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় অবৈধ পণ্য চোরাচালান ও হুন্ডি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন আলম মিয়া, স্থানীয়ভাবে যিনি ‘গরু আলম’ নামে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় নিষিদ্ধ ও শুল্ক ফাঁকি দেওয়া পণ্য দেশে আনার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে হালুয়াঘাট উপজেলার তেলিখালী, ঝলঝলিয়া, গাবড়াখালী, কড়ইতলী, আয়নাতলীসহ বিভিন্ন স্পট দিয়ে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এসব পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হচ্ছে। ওই সিন্ডিকেটের প্রধান হিসেবে আলম মিয়ার নাম উঠে এসেছে।

অভিযোগ রয়েছে, ভারতীয় গরু, জিরা, কম্বল, কসমেটিকস, ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের পাশাপাশি কয়লার সঙ্গে মাদকও চোরাই পথে দেশে এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে হুন্ডি ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন এবং সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করে আলম মিয়া তার কথিত চোরাচালান ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। সরকার পরিবর্তনের পরও বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রভাব খাটিয়ে তার সেই আধিপত্য অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এলাকাবাসীর কাছে আলম মিয়া নামটি যতটা পরিচিত, তার চেয়ে ‘গরু আলম’ নামেই তিনি বেশি পরিচিত বলে জানা গেছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে তার প্রভাব নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা রয়েছে।

আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, চোরাচালান নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সদস্য এবং কিছু সাংবাদিককে ‘ম্যানেজ’ করার মাধ্যমে তিনি তার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে এসব অভিযোগের বিষয়ে আলম মিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।

বিষয়টি জানতে হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে ২০ মিনিট পর কথা বলবেন বলে জানান। পরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি আর কল রিসিভ করেননি।

সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক ও হুন্ডি ব্যবসার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর তদন্ত ও অভিযান এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক জনতার খবর
Theme Customized By Shakil IT Park