1. admin@dainikjanatarkhabor.com : admin :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সবুজায়নের লক্ষ্যে ফুলবাড়ীতে ফলজ গাছের চারা বিতরণ খুবজীপুর ইউনিয়ন পরিষদে ৪১৪ জন মানুষের মাঝে ভিডব্লিউবি চাউল বিতরণ, গুরুদাসপুরে শিক্ষার মান উন্নয়নে মতবিনিময় সভা-২০২৬ অনুষ্ঠিত। কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের দাবিতে মানববন্ধন ফুলবাড়ীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় যুবদের প্রতিনিধিত্ব ও নারী-শিশুবান্ধব আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে অ্যাডভোকেসি সভা গুরুদাসপুরে প্রতিবন্ধীর সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ ফুলবাড়ীতে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা হ্রাস ও সাইবার নিরাপত্তায় অ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত। গুরুদাসপুর পৌর সভার জি আর চাউল বিতরণের শুভ উদ্বোধন করেন মোঃ মাহামুদুজ্জামান সোহাগ চাটমোহরে মানবিক চিকিৎসক হাকিম আরমান, নাটোরের গুরুদাসপুরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ পালিত,,

কাক ও কোকিল

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৩৮ বার পঠিত
লেখক: কবি সিরাজুল ইসলাম:
এক কাক এক গাছের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, ঐ গাছে থাকতো এক কোকিল। সে তার বাসায় বসে মনের আনন্দে গান করছিল। কাক হঠাৎ শুনতে পেলো কোকিলের মিষ্টি গানের গলা, কাক কোকিলের গান শুনে মুগ্ধ হয়ে গাছের ডালে এসে বসে পড়লেন। কোকিল কাককে দেখে ভয় পেয়ে গেলেন।
কোকিল তার গান থামিয়ে কাককে বললেন, কে তুমি ভাই? আমার বাসার সামনে গাছের ডালে এসে বসলে! কি চাও তুমি? কাক বললো, আমি তোমার বাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম তখনি ঠিক শুনতে পেলাম তোমর মিষ্টি গানের গলা তোমার গানে মুগ্ধ হয়ে গান শুনতে গাছের ডালে এসে বসলাম। তুমি তো খুব ভালো গান গাইতে পারো। ভয় পেওনা আমি তোমার কোন ক্ষতি করবো না, গান থামালে কেন? আর একটু গাও শুনি। কোকিল বললো আমার গানের গলা খুব ভালো না তবু যখন তুমি শুনতে চাচ্ছো তখন কি আর করার আছে, কোকিল আবার গান গাইতে লাগলেন। কাক কোকিলের গানের তালে তালে নাচতে লাগলো, কোকিল গান থামালেন কাক তার গানে খুশি হয়ে কিছু খাবার উপহার দিলেন। কোকিলও কাকাকে ধন্যবাদ জানালেন, কাক তখন বললো আমি রোজ তোমার গান শুনতে আসবো, আমাকে তাড়িয়ে দিবে না তো? কোকিল বললো তা কেন করবো। এভাবে কাক আর কোকিলের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো, কোকিল এক দিন তার বাসায় কিছু ডিম রেখে খাবারের খোজে অনেক দূরে চলে গেলেন। এদিকে কাক কিছু দিন ধরে কোথাও খাবার খুঁজে পায় না পেটের খিদের যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে গেলেন।
কোথায় খাবার পাবে ভেবে পায় না, শেষে তার বন্ধু কোকিলের কথা মনে পড়েগেলো কাক
ভবলো কোকিলের কাছ থেকে কিছু খাবার ধার করে নিয়ে আসলে তা দিয়ে কিছুদিন চলবে পরে না হয় খাবার যোগাড় করে কোকিলকে দিয়ে আসবো। কাক কোকিলের বাসায় রওয়ানা করলেন, বাসায় এসে দেখে কোকিল বাসায় নেই, আছে শুধু কিছু ডিম। আশে-পাশে অনেক খোজা-খোজির পরও কোকিলকে না পেয়ে কাক তার ক্ষুধার যন্ত্রণা সইতে না পেয়ে কাকিলের বাসায় রাখা কিছু ডিম খেয়ে ফেলল। পরে কাক ভাবতে লাগালন কোকিল যদি সায় এসে তার ডিমগুলো দেখতে না পায় চিন্তায় সে মরে যাবে। তার চেয়ে আমার কিছু মা রেখে যাই তাতে কোকিলও বুঝতে পারবে না আমিও দায়মুক্ত হবো। কোকিল কিছুক্ষণ এ তার বাসায় ছুটে এল। সেই ডিম বেশকিছুদিন তাপ দেয়ার পর ডিম থেকে বেড়িয়ে এল উফুটে বাচ্চা, কোকিল তখন খুব আদর যত্ন করে বাচ্চাগুলোকে বড় করতে লাগলেন।
দিন পর কোকিল লক্ষ্য করলেন কিছু বাচ্চা কুহু কুহু করে ডাকছে আর কিছু বাচ্চা কা করে ডাকছে। কোকিল তখনও বুঝতে পাড়ছে না যে এগুলো কাকের বাচ্চা, বাচ্চা বা যখন বড় হলো কোকিল তখন দেখতে পেলো কাকের বাচ্চাগুলো আর কোকিলের থাকতে চাচ্ছে না তারা কাকদের দলে চলে গেলো। কোকির তখনি বুঝতে পাড়লো বিশায় মাতত কার আর কোনদিন
Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২২ দৈনিক জনতার খবর
Theme Customized By Shakil IT Park